ইমাম আবূ হানিফা সম্পর্কে প্রসিদ্ধ ৫ জন মুহাদ্দীস ইমামের মতামত
১. ইমাম বুখারী (মৃ: ২৫৬ হি:):
ইমাম বুখারী রাহিমাহুল্লাহ বলেন:
كَانَ مُرجِئًا، سَكَتُوا عنه، وعَنْ
رَأيِهِ، وعَنْ حديثه
আবূ হানিফা মুরজিয়া ছিলেন। তার রায় এবং হাদীস সকল মুহাদ্দিছীনে কিরাম পরিত্যাগ করেছেন।
[আত-তারিখুল কাবির ৮/৮১]
হাফিয ইরাকী বলেন: ইমাম বুখারীর “সাকাতু আনহু” বলার অর্থ সকল মুহাদ্দিছীনে কিরাম তাকে পরিত্যাগ করেছে। [আর-রফেউত তাকমীল লি আব্দুল হাঈ লাক্ষ্ণৌভী হানাফী পৃ: ১৮২-১৮৩]
২. ইমাম মুসলিম (মৃ: ২৬১ হি:):
ইমাম মুসলিম রাহিমাহুল্লাহ বলেন:
صاحب الرأي مضطرب الحديث ليس له كبير
حديث صحيح
ইমাম আবূ হানিফা
আহলে রায় ছিলেন। তিনি মুযত্বারিবুল হাদীস। তার বেশি পরিমান সহীহ হাদীস নেই।
[আল-কুনা ওয়াল আসমা পৃ: ২৭৬]
৩. ইমাম তিরমিযী (মৃ: ২৭৯ হি:):
ইমাম তিরমিযী রাহিমাহুল্লাহ একটি মাসআলায় ইমাম আবূ হানিফা সম্পর্কে বলেন:
خالف السنة
তিনি (আবূ হানিফা) সুন্নাতর বিরুদ্ধাচারণ করেছন।
[জামে’ আত-তিরমিযি ১/১৪৬, হা: ৫৫৯]
৪. ইমাম আবূ দাঊদ (মৃ: ২৭৫ হি:):
قلت لأبي داود: كان أبو حنيفة
يرى السيف؟ قال: نعم
ক. ইমাম আবূ দাঊদ রাহিমাহুল্লাহ কে জিজ্ঞাসা করা হলো: আবূ হানিফা কি মুসলিম শাসকের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ বৈধ মনে করতেন? ইমাম আবূ দাঊদ জবাবে বললেন: হ্যাঁ।
[সুয়ালাতে আবী দাঊদ পৃ:২২৭]
খ. ইমাম আবূ দাঊদ রাহিমাহুল্লাহ এক রাবী সম্পর্কে বলেন:
كان يصحب أبا حنيفة على الٳرجاء
এই ব্যক্তি আবূ হানিফাকে ইরজার ব্যাপারে সঙ্গ দিত। (অর্থাৎ মুরজিয়ার ব্যাপারে সাহায্য করত)।
[সুয়ালাতে আবী দাঊদ পৃ: ২৫৯]
৫. ইমাম নাসাঈ (মৃ: ৩০৩ হি:):
ইমাম নাসাঈ রাহিমাহুল্লাহ বলেন:
وأبو حنيفة ليس بالقوي في الحديث، وهو
كثير الغلط والخطأ على قلّة روايته
আবূ হানিফা হাদীসের ক্ষেত্রে শক্তিশালী নন। তার বর্ণনা কম হওয়া সত্ত্বেও তিনি বেশি ভুলকারী।
[তাসমীয়াহ মান লাম ইরাউইহ পৃ: ১২৩, মানহাজে ইমাম নাসাঈ পৃ: ২২৭৫]






